নেপালের উপর ইন্ডিয়ার আধিপত্যের অবসান

নেপালের উপর ইন্ডিয়ার আধিপত্যের অবসান

আন্তর্জাতিক রিপোর্ট:: নেপালে ইন্ডিয়ার আধিপত্য শেষ হতে যাচ্ছে। চীন-নেপাল সম্পর্কের সুউচ্চতম পর্যায়ে চীন তার সমুদ্রবন্দর এবং স্থলবন্দর নেপালকে ব্যবহারের আনুষ্ঠানিক সম্মতি প্রদান করেছে। অবকাঠামো সংকটের কারণে এটার লাভালাভ যদিও এখনো অনিশ্চিত তবুও ২৬০০ কিমি দূরবর্তী নিকটতম চীনা বন্দরকে ঘিরে নেপালের উচ্ছ্বাসের কমতি নেই।

২০১৬ সালে ইন্ডিয়ার অর্থনৈতিক অবরোধের সময় নেপালী প্রধানমন্ত্রী কেপি অলির চীন সফরের সময় দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার এ চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। সেই থেকে নেপাল এবং চীন সরকারের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা দীর্ঘ বৈঠক শেষে গত সপ্তাহে এ সিদ্ধান্তে এসে উপনীত হয়। চীনের ভেতর দিয়ে নেপালের ট্রানজিট কার্যকরের জন্য সমুদ্রবন্দর তিনজিয়ান, শেনজেন, লিয়ানগ্যাং, ঝানযিয়াং এবং স্থলবন্দর লানজিন, লাসা এবং শিগাতেস ব্যবহারের পূর্ণ প্রক্রিয়া সমাপ্ত হয়েছে।

নেপালের সমুদ্রবাণিজ্য মূলত স্থলভাগের মধ্য দিয়ে বাণিজ্য প্রধানত কলকাতা বন্দর দিয়ে সংঘটিত হয় যেটি প্রতিটি চালানের জন্য প্রায় তিন মাস সময় নেয়। ইন্ডিয়া অবশ্য সম্প্রতি দক্ষিণাত্যের বন্দর বিশাখাপাতনামও নেপালের ব্যবহারের জন্য উম্মুক্ত করা হয়েছে।

চীনের ভেতর দিয়ে দ্রব্য পরিবহণের জন্য নেপালকে অবশ্যই যথাযথ অবকাঠামোর উন্নয়ন করতে হবে।

এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নেপালে ইন্ডিয়ার আধিপত্যের অবসানের সূচনা হয়েছে বলা যায়। কাঠমুন্ডু এবং বেইজিং রেল নেটওয়ার্ক এবং বিদ্যুৎ বিনিময়ের জন্য কার্যকর আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির জন্য ফিজিবিলিটি স্টাডিও শুরু হয়েছে।

AdSense code

বাংলাদেশে কোরোনা

বলিউড অ্যালবাম

আমাদের পথ চলা

প্রিয় পাঠক,