২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১
Home » Parallax Page » আজকের রাজশাহী » রাজশাহী সিভিল সার্জন দফতরের কোটি কোটি টাকার টেন্ডারে কারসাজি

রাজশাহী সিভিল সার্জন দফতরের কোটি কোটি টাকার টেন্ডারে কারসাজি

উত্তরবঙ্গ প্রতিদিনে প্রকাশিত সংবাদটি শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

স্টাফ রিপোর্টার,উত্তরবঙ্গ প্রতিদিন ::- রাজশাহী সিভিল সার্জন দফতরের প্রায় আড়াই কোটি টাকা মূল্যের একটি টেন্ডারে কারসাজির অভিযোগ উঠেছে। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে একটি চিহ্নিত সিন্ডিকেট টেন্ডার পেতে এ অনিয়মের আশ্রয় নিয়েছেন। ছয় গ্রুপের এ টেন্ডারে ১২৭টি সিডিউল বিক্রি হলেও শেষদিনে দাখিল হয়েছে মাত্র ১৮টি। দেশব্যাপী স্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন সরঞ্জাম ও সামগ্রী (এমএসআর) সরবরাহে ব্যাপক দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ওই সিন্ডিকেটই রাজশাহীতেও এ টেন্ডার কারসাজির সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগে জানা গেছে।

প্রতিযোগিতামূলক টেন্ডার না হওয়ায় সিন্ডিকেটটি ইচ্ছেমতো দরে সিডিউল দাখিল করেছেন। এ কারসাজির ফলে সরকারের ৫০ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হবে বলে জানিয়েছেন টেন্ডার সিডিউল কেনা একাধিক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের আওতাধীন বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে সরবরাহের জন্য সম্প্রতি প্রায় আড়াই কোটি টাকা মূল্যের এমএসআর (মেডিকেল অ্যান্ড সার্জিক্যাল রিকোয়ারমেন্টস) সামগ্রী কেনার দরপত্র আহ্বান করে রাজশাহীর সিভিল সার্জন দফতর। এ টেন্ডারে অংশ নিতে ১২৭টি দরপত্র সিডিউল বিক্রি হয়। তবে এরই মধ্যে স্বাস্থ্য বিভাগে সক্রিয় একটি ঠিকাদারি সিন্ডিকেট কয়েকদিনে সিডিউল ক্রেতা ঠিকাদারদের ভয়ভীতি দেখিয়ে ও টাকার প্রলোভন দিয়ে সব সিডিউল হাত করে নেন। গত ১০ মার্চ সকালে রাজশাহী রেলওয়ে স্ট্রেশনে অবস্থিত এক যুবলীগ নেতার মালিকানাধীন হোটেলে বসে সিন্ডিকেটের সদস্যরা সব ঠিকাদারের কেনা সিডিউলগুলো জমা নেন। কাউকে ভয় দেখিয়ে ও কাউকে টাকার বিনিময়ে হাত করেন সিন্ডিকেট।

১০ মার্চ দুপুর ১২টার মধ্যে শেষদিনে মাইক্রো ট্রেডার্সের নেতৃত্বাধীন সিন্ডিকেটটি মোট ৬টি গ্রুপের প্রতিটিতে তিনটি করে মোট ১৮টি দরপত্র জমা দেন। এক্ষেত্রে সাজানো এ টেন্ডারে সিন্ডিকেট নিজেদের ইচ্ছেমতো দর উল্লেখ করেছেন বলে জানা গেছে। বর্তমানে একটি মূল্যায়ন কমিটি দরপত্রগুলো মূল্যায়নের কাজ করছেন। এদিকে কারসাজির এ টেন্ডার সম্পর্কে জানতে রাজশাহীর ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. মোহা. আমির হোসেন বলেন, কেউ সিডিউল কিনে যদি দাখিল না করেন সেক্ষেত্রে টেন্ডার কমিটির কিছু করণীয় নেই। তবে মূল্যায়ন কমিটি যদি দেখে, দাখিলকৃত দর সরকারি উল্লেখকৃত দরের সঙ্গে সামঞ্জস্য নয়, তাহলে ওই দরপত্রগুলো গ্রহণ করা হবে না।

ফলে পুনঃটেন্ডার হবে। তবে মূল্যায়ন কমিটি এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানান তিনি। অন্যদিকে স্বাস্থ্য বিভাগের একাধিক সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহীর আলোচিত এ সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে রাজশাহীর বিভাগের চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহীসহ সারা দেশের বিভিন্ন জেলায় টেন্ডার কারসাজির সঙ্গে জড়িত।

…………………………………………………………………………………………………………………………………………… বি: দ্র:: আপনাদের যে কোনো দুঃখ-দুর্দশার সংবাদ জানাতে পারেন আমাদের, আমাদের সাহসী টিম চলে যাবে আপনার দ্বার প্রান্তে । ধন্যবাদ – প্রয়োজনে :: +৮৮০১৭১৬২০৪২৪৮ 24x7upnews.com ।। Uttorbongo Protidin – উত্তরের গণমানুষের একটি দায়িত্বশীল গণমাধ্যম।


উত্তরবঙ্গ প্রতিদিনে প্রকাশিত সংবাদটি শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।