রিকশাচালকদের অবরোধে যান চলাচল বন্ধ:উত্তরবঙ্গ প্রতিদিন

উত্তরবঙ্গ প্রতিদিনে প্রকাশিত সংবাদটি শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নিজস্ব প্রতিনিধি,উত্তরবঙ্গ প্রতিদিন:: মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে কুড়িল, বাড্ডা, রামপুরা ও মালিবাগ চৌধুরীপাড়ার কয়েক জায়গায় জড়ো হয়ে কয়েক হাজার রিকশাচালক বিক্ষোভ করছেন।

তাদের এই বিক্ষোভের কারণে প্রগতি সরণি হয়ে মালিবাগ থেকে রামপুরা হয়ে কুড়িলের দিকে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে বলে ঢাকা মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (ট্রাফিক পূর্ব) মুহাম্মদ কামারুজ্জামান জানিয়েছেন।
ঢাকার যে তিনটি সড়কে রিকশা চলাচল বন্ধ করা হয়েছে, তার মধ্যে কুড়িল থেকে সায়েদাবাদ পর্যন্ত এই সড়কও রয়েছে।

আন্দোলনরত রিকশা চালকরা ওই নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন অবরোধ থেকে। প্রগতি সরণিতে রিকশা মালিকরাও অবরোধে যোগ দিয়েছেন।এদিকে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কের বড় একটি অংশ বন্ধ থাকায় সকালে রাস্তায় বেরিয়ে অফিসগামী যাত্রীরা পড়েছেন ভোগান্তিতে। আশপাশের সড়কগুলোতেও সৃষ্টি হয়েছে দীর্ঘ যানজট। বাধ্য হয়ে অনেকে হেঁটে গন্তব্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করেছেন।

রামপুরা টেলিভিশন স্টেশনের সামনে ইউলুপের নিচে রিকশাচালকদের অবস্থানের মধ্যে কথা হয় হিরণ নামে একজনের সঙ্গে ।তিনি বলেন, মাগুরা থেকে কাজের আশায় ঢাকা এসে এখন তিনি রিকশা চালাচ্ছেন। স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে বনশ্রী এলাকার ভাইয়াপাড়ায় থাকেন তিনি। আর বাবা-মা থাকেন মাগুরায়। পরিবারে তিনিই উপার্যনক্ষম একমাত্র ব্যক্তি।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে হিরণ বলেন, “আমাদের বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না করে এভাবে রিকশা বন্ধ করে দিতে পারে না। আমরা তো ছেলে-মেয়ে নিয়ে না খেয়ে মরবো।”এর আগে সোমবারও মুগদা, মানিকনগর, মাণ্ডা, বালুরমাঠ ও কমলাপুর টিটিপাড়ায় সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন রিকশা চালকরা।

জাতীয় রিকশা ভ্যান শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক ইনসুর আলী সোমবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “যারা আন্দোলন করছে তারা সাধারণ রিকশাশ্রমিক ও মালিক। রিকশা তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত আত্মঘাতী।“আমরা চাই অবৈধ রিকশা উচ্ছেদে অভিযান হোক এবং এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার হোক। এ ব্যাপারে আমরা ১১ তারিখে (জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দেব।


উত্তরবঙ্গ প্রতিদিনে প্রকাশিত সংবাদটি শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •