১৫০ ওয়াট বিদ্যুতে চলবে ১টনের এসি!:উত্তরবঙ্গ প্রতিদিন

উত্তরবঙ্গ প্রতিদিনে প্রকাশিত সংবাদটি শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নিজস্ব প্রতিনিধি,উত্তরবঙ্গ প্রতিদিন:১ টনের একটি এসি চালাতে বিদ্যুৎ লাগবে মাত্র ১৫০ ওয়াট। এমনই এক এসি আবিষ্কারের দাবি করেছেন টাঙ্গাইলের কলেজ ছাত্র শরীফুল ইসলাম নামের এক যুবক।

যেখানে বাজারে থাকা ১টনের এসি চালাতে বিদ্যুতের প্রয়োজন ২ হাজার ওয়াট, সেখানে এই এসিতে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী হবে প্রায় ৯০ শতাংশ। আরো অবাক করা তথ্য হচ্ছে, এই এসিতে থাকবে না কোন সিএফসি প্রযুক্তির ব্যবহার! শরীফুল টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বহুরিয়া ইউনিয়নের চান্দুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা। সে টাঙ্গাইল সরকারি সা’দত কলেজের গণিত বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী।

শরীফুলের দাবি, তার আবিষ্কৃত এসি পৃথিবীর সবচেয়ে সাশ্রয়ী এবং পরিবেশ বান্ধব। শনিবার বিকেলে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে শরীফুল এই দাবি করেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শরীফুল জানান, ২০১৭ সাল থেকে তিনি তার এই উদ্ভাবন নিয়ে কাজ শুরু করে ২০১৮ সালে সফল হন। তার উদ্ভাবিত যন্ত্রটি পৃথিবীর সবচেয়ে সাশ্রয়ী এবং সম্পূর্ণরূপে পরিবেশ দূষণমুক্ত। যা সিএফসি গ্যাস ছাড়াই ঠান্ডাকরণ প্রক্রিয়ায় কাজ করবে। তিনি এর নাম দিয়েছেন শরীফ পিউর কুলিং টেকনোলজি বা এসপিসিটি।

তিনি বলেন, ‘বর্তমান বাজারে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর সিএফসি গ্যাস ব্যবহার করে শীতাতপ যন্ত্রসহ বিভিন্ন ঠান্ডাকরণ যন্ত্র তৈরি করা হয়। যা বায়ুন্ডলের ওজন স্তরের ক্ষতি করছে। এতে সূর্যের রশ্মি পৃথিবীতে চলে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে ক্যান্সারসহ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পাবে এবং চোখে অসময়ে ছানি পড়বে। এসব থেকে বাঁচতে তিনি যন্ত্রটি আবিস্কার করেছেন। এছাড়া বর্তমানে ১ টন এসিতে যেখানে প্রায় ২ হাজার ওয়াটের বিদ্যুৎ প্রয়োজন সেখানে তাঁর উদ্ভাবিত যন্ত্রে প্রায় ৯০ ভাগ জ্বালানী সাশ্রয় করবে। মাত্র ১৫০ ওয়ার্ট বিদ্যুতের মাধ্যমে চলবে এবং যন্ত্রটিতে কোন সিএফসি ব্যবহার প্রয়োজন হবেনা।

সংবাদ সম্মেলনে শরীফুল তার উদ্ভাবিত যন্ত্রের মেধাসত্ত্ব চুরি হতে পারে বলে পুরো প্রক্রিয়াটি না জানিয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরতে চান। সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় সাংসদ মো. একাব্বর হোসেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সম্পাদক তাহরীম সীমান্ত, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. সাদ্দাম হোসেন ও মির্জাপুর পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ওয়াকিল আহমেদ ও শরীফুলের সহপাঠিরা উপস্থিত ছিলেন।
সাংসদ মো. একাব্বর হোসেন শরীফুলের দেখানো যন্ত্রের বিষয়ে বলেন, তার উদ্ভাবিত যন্ত্রের কথা তিনিও সরকারের উচ্চ পর্যায়ে তুলে ধরবেন। এজন্য তিনি প্রয়োজনীয় সকল সহযোগিতা করবেন বলে সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া বক্তৃতায় উল্লেখ করেন।


উত্তরবঙ্গ প্রতিদিনে প্রকাশিত সংবাদটি শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •