স্টাফ রিপোর্টার, উত্তরবঙ্গ প্রতিদিন :: বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রযুক্তি সহকারী দেবব্রত সরকার বাদী হয়ে সোমবার রাতে থানায় মামলাটি করেন।

এই বিমান ছিনতাইচেষ্টায় একজনই জড়িত ছিলেন বলে অভিযান চালিয়ে বিমানটি মুক্ত করার পর এতে যুক্ত সব কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন।
পলাশ আহমেদ নামে ওই যুবক রোববার সন্ধ্যায় শাহ আমানত বিমানবন্দরে উড়োজাহাজটি নামার পর কমান্ডো অভিযানে নিহত হন।
পতেঙ্গা থানার ওসি উৎপর বড়ুয়া বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানিয়েছেন, বেবিচকের মামলায় পলাশ আহমেদের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামির তালিকায় রাখা হয়েছে।
এজাহারে পলাশের নাম উল্লেখ করে বলা হয়েছে, “উক্ত আসামি তাহার সহযোগী অপরাপর অজ্ঞাতনামা আসামিদের সহায়তায় উক্ত অপরাধ (বিমান ছিনতাই) সংঘটনের চেষ্টা করিয়াছে মর্মে প্রতীয়মান হয়।”
অজ্ঞাতনামা এই আসামিদের ভূমিকার বিষয়ে এজাহারে আর কিছু বলা হয়নি।
এজাহারেই আবার ঘটনার বর্ণনা দেওয়ার সময় ছিনতাইয়ের চেষ্টাকারী হিসেবে শুধু একজন দুষ্কৃতকারীর কথাই উল্লেখ করা হয়।
তাতে বলা হয়, বিজি-১৪৭ ফ্লাইটটি ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের ১৫ মিনিট পরই পলাশ বোমা সদৃশ বস্তু ও অস্ত্র দেখিয়ে বিমানটি ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে।
“কেবিন ক্রু সাগর ও যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, একজন অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতকারী (পলাশ) বিমানের মাঝখান দিয়ে দৌড় দিয়ে সামনের ককপিটে ঢোকার চেষ্টা করে। তার হাতে বোমা ও অস্ত্র সদৃশ বস্ত দেখা যায়।
“উক্ত দুষ্কৃতকারী তার কিছু দাবি-দাওয়া প্রধানমন্ত্রীকে শুনতে হবে বলে চিৎকার করে। অন্যথায় সে বিমানটি তার কাছে থাকা বিস্ফোরক দিয়ে ধ্বংস করে দেবে মর্মে হুমকি দেয়।”
পলাশ মারা যাওয়ার পর তার হাতে থাকা পিস্তলটি উদ্ধারের কথা জানানো হয়েছিল। পরে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ জানায়, ওই অস্ত্রটি একটি খেলনা পিস্তল। বিমান প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলীও একই কথা জানান।
এদিকে ওই বিমানের যাত্রীদের একজন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমসহ অন্য সংবাদ মাধ্যমকে বলেছিলেন, পলাশ তার পিস্তল থেকে দুটি গুলি ছুড়েছিল।
এজাহারে বলা হয়, বিমান উড়ন্ত অবস্থায় পলাশ দুটি ‘পটকা জাতীয়
সংবাদটি শেয়ার করুন-
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •