অডিও রেকর্ড ছড়িয়ে পড়ার পর উত্তপ্ত জাবি ক্যাম্পাস:উত্তরবঙ্গ প্রতিদিন

Read Time:5 Minute

স্টাফ রিপোর্টার,উত্তরবঙ্গ প্রতিদিন::জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা ভাগাভাগির বিষয়ে ছড়িয়ে পড়া অডিও নিয়ে ক্যাম্পাসের দৃশ্যপট পাল্টে গেছে। ছাত্রলীগের একটি অংশ এখন প্রকাশ্যে টাকা পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করছে। অন্যদিকে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতিসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন বিষয়টি বানোয়াট বলে বিবৃতি দিচ্ছে।

ছাত্রলীগের বাদ পড়া সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনের মধ্যে মুঠোফোনে ওই কথাবার্তা হয়। রোববার এই অডিওটি ফাঁস হয় । সাদ্দামসহ তাঁর পক্ষের অনেক নেতাই এখন প্রকাশ্যে স্বীকার করছেন উপাচার্য শাখা ছাত্রলীগকে এক কোটি টাকা দিয়েছে। সাদ্দামের নেতৃত্বাধীন গ্রুপও সেখান থেকে ২৫ লাখ টাকা পেয়েছে।

এদিকে সোমবার সাদ্দাম হোসেনের নেতৃত্বে শাখা ছাত্রলীগের একটি পক্ষ দিনব্যাপী ক্যাম্পাসে শোডাউন দিয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ছাত্রলীগের একাধিক নেতা জানিয়েছেন, শাখা ছাত্রলীগের যেসব নেতা এই কথোপকথন ও অডিও ফাঁসের সঙ্গে জড়িত তাঁদের ক্যাম্পাস থেকে বিতাড়িত করতে ছাত্রলীগের অপর পক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এমন সংবাদে ছাত্রলীগের এই পক্ষটি ক্যাম্পাসের নিজেদের অবস্থান জানাতে এ শোডাউনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। ফাইল ছবিজাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। ফাইল ছবি
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা ভাগাভাগির বিষয়ে ছড়িয়ে পড়া অডিও নিয়ে ক্যাম্পাসের দৃশ্যপট পাল্টে গেছে। ছাত্রলীগের একটি অংশ এখন প্রকাশ্যে টাকা পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করছে। অন্যদিকে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতিসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন বিষয়টি বানোয়াট বলে বিবৃতি দিচ্ছে।

ছাত্রলীগের বাদ পড়া সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনের মধ্যে মুঠোফোনে ওই কথাবার্তা হয়। রোববার এই অডিওটি ফাঁস হয় । সাদ্দামসহ তাঁর পক্ষের অনেক নেতাই এখন প্রকাশ্যে স্বীকার করছেন উপাচার্য শাখা ছাত্রলীগকে এক কোটি টাকা দিয়েছে। সাদ্দামের নেতৃত্বাধীন গ্রুপও সেখান থেকে ২৫ লাখ টাকা পেয়েছে।

এদিকে সোমবার সাদ্দাম হোসেনের নেতৃত্বে শাখা ছাত্রলীগের একটি পক্ষ দিনব্যাপী ক্যাম্পাসে শোডাউন দিয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ছাত্রলীগের একাধিক নেতা জানিয়েছেন, শাখা ছাত্রলীগের যেসব নেতা এই কথোপকথন ও অডিও ফাঁসের সঙ্গে জড়িত তাঁদের ক্যাম্পাস থেকে বিতাড়িত করতে ছাত্রলীগের অপর পক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এমন সংবাদে ছাত্রলীগের এই পক্ষটি ক্যাম্পাসের নিজেদের অবস্থান জানাতে এ শোডাউনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তবে ফাঁস হওয়া ফোনালাপের তথ্য ‘মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও উপাচার্যপন্থী শিক্ষকেরা। একই দাবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল রানারও।

ফোনালাপের বিষয়ে সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘উপাচার্য ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে আলোচনার প্রেক্ষিতে তিনি আমাদের এই আর্থিক সহযোগিতা করেছিলেন। তিনি (উপাচার্য) কোথা থেকে এ টাকা দিয়েছেন সেটা তিনি জানেন।’

সাদ্দাম হোসেন আরও বলেন, ‘টাকা লেনদেনের বিষয়টা যদি গুরুত্বপূর্ণ হয়, তবে টেন্ডার শিডিউল বিক্রির সময় ও টেন্ডার বক্স ওপেনের সময়ের উপাচার্যের ছেলের (প্রতীক তাজদিক হোসেন) মোবাইলের কল রেকর্ড বের করলেই হয়। বিশেষ করে ৯ আগস্ট উপাচার্যের বাসায় আমাদের আলোচনার পরের এবং আগের আমার সঙ্গে উপাচার্যের ছেলের কল রেকর্ড বের করেন সব পরিষ্কার হয়ে যাবে।’

সংবাদটি শেয়ার করুন-
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।