বিশেষ বিজ্ঞপ্তি :
সুপ্রিয় সন্মানিত পাঠক, আপনি কি উত্তরবঙ্গ প্রতিদিনের নিয়মিত পাঠক? আপনি কি এই পত্রিকায় লিখতে চান? কেন নয় ? সমসাময়িক যেকোনো বিষয়ে আপনিও ব্যক্ত করতে পারেন নিজের চিন্তা, অভিমত, পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ। স্বচ্ছ ও শুদ্ধ বাংলায় যেকোনো একটি সুনির্দিষ্ট বিষয়ে  লিখে পাঠিয়ে দিতে পারেন ইমেইলে কিংবা ফোন করেও জানাতে পারেন আপনাদের।  আমাদের যে কোন সংবাদ জানানোর ৩টি মাধ্যম।🟥১। মোবাইল: ০১৭৭৭৬০৬০৭৪ / ০১৭১৫৩০০২৬৫ 🟥২। ইমেইল: upn.editor@gmail.com🟥৩। ফেসবুক : facebook.com/Uttorbongoprotidin  
আজ ১০ মে ২০২১ সোমবার ১১:২৬ অপরাহ্ন রাজশাহী,বাংলাদেশ ।। ইংরেজীতে পড়ুন উত্তরবঙ্গ প্রতিদিন Bengali Bengali English English

স্টাফ রিপোর্টার,উত্তরবঙ্গ প্রতিদিন:: রাজশাহী কাটাখালির টাঙ্গন এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী ও জনপ্রতিনিধির সখ্যতায় ঝিমিয়ে পড়েছে রাজশাহী কাটাখালি থানার পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানের কার্যক্রম।সম্প্রতি নেই কোন সফল মাদক বিরোধী অভিযান। আর এরই মধ্যে রাজশাহী চারঘাট উপজেলার ইউসুফপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমেদ মিঠুনের বিরুদ্ধে মাদক কারবারিদের সাথে সখ্যতাসহ ডজন খানেক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে । কাটাখালির টাংগন, শ্যামপুর, সাহাপুর, মাসকাটাদিঘি, ডাসমারি এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে প্রতি নিয়ত চলে এই সাবেক চেয়ারম্যানের গোপন আঁতাত।

 

উল্লেখ্য যে, সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমেদ মিঠুন বিগত ২০১৫ সালের ২৭ জুন ট্রাকভর্তি ২ হাজার ফেন্সিডিলসহ গ্রেফতার হন রাজশাহী পুঠিয়া থানাধীন বিড়ালদহ মাজার এলাকায়। তৎকালীন পুঠিয়া থানার ওসি হাফিজুর রাহমান নেতৃত্বে এস আই আসাদুল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চেয়ারম্যান মিঠুনকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়।

 

এদিকে কাটাখালী থানাধীন টাঙ্গন, শ্যামপুর, ইউসুফপুর বাজার এলাকার স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ভারত থেকে আমদানী নিষিদ্ধ ফেন্সিডিল ঢুকছে প্রতিদিন। এই এলাকার সাবেক চেয়ারম্যান মিঠুন ও তার সিন্ডিকেট মাদক ব্যবসায়ীদের পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে থাকেন। স্থানীয়রা আরও জানান, এই এলাকার সাবেক চেয়ারম্যান মিঠুনের সহায়তাতেই সকাল, দুপুর ও সন্ধ্যায় মাদক ঢোকে টাঙ্গন এলাকাতে।সারা দেশে যখন নাশকতার পরবরতীতে মাদকের বড় চালানগুলো কিছু চলে যায় রাজধানী ঢাকা শহরে আর কিছু রাজশাহী শহরের বিভিন্ন স্থানে।

 

কাটাখালী থানাধীন টাংগন এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যাবসায়ী আকু, মিলন, হারান ওরফে হারু, নাজমুল ওরফে সোর্স বাবু,শ্যামপুর এলাকার বাদশা, সফিকুল,তারেক-সহ গরু চোর চক্রের সদস্যদের নিয়ন্ত্রন করে থাকেন এই সাবেক চেয়ারম্যান মিঠুন। কোন মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মামলা হলেই অদৃশ্যভাবে তদবিরে হাজির হন ইউসুফপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মিঠুন। কখনও রাজশাহী মহানগর ডিবি অফিসে, কখনও রাজশাহী জেলা ডিবি অফিসে কিংবা কখনও কাটাখালী থানায় তাকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ীর জন্য সুপারিশ করতে দেখা যায়। আবার প্রচলিতে আছে কোন সাংবাদিক সংবাদ প্রকাশ করলে মাদক ব্যবসায়ীদের দিয়ে মামলা করে হয়রানীরও শিকার করেন।বিধায় সহজে কোন সাংবাদিক তার বিষয়ে সহজে সংবাদও প্রকাশ করতে চাননা। আবার কখনও কখনও মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে এলাকার বাহিরের মাদক ব্যবসায়ীর উপর গুলিও চালান এই ব্যাক্তি।

 

এলাকাবাসীর সুত্রে আরোও জানা যায়, তিনি নিজেও ফেন্সিডিল সেবন করেন এবং সাপ্তাহিক মাশোহারা হিসেবে মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে টাকাও তুলে থাকেন। আর কেউ টাকা না দিলে পুলিশ দিয়ে তাকে হয়রানীও শিকার করেন এবং পরবর্তীতে নিজেই পুলিশের কাছে গিয়ে মোটা টাকার বিনিময়ে ছাড়িয়ে নিয়ে আসেন ।

 

রাজশাহীতে মাদকের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে বারবার এই সকল জনপ্রতিনিধিদের নাম উঠে আসায় চলমান মাদকবিরোধী অভিযান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রাজশাহীর সুশীল মহল । তারা মনে করছেন, মাদকের পৃষ্ঠপোষক প্রভাবশালীদের আইনের আওতায় না এনে শুধু খুচরা বিক্রেতাদের ধরে সমাজ থেকে মাদক নির্মূল করা যাবে না।

এ প্রসঙ্গে রাজশাহী জেলা মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক বলেন, মাদকের সঙ্গে জড়িত যে কোনো ব্যাক্তি জড়িত থাকুক না কেন, কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।

সংবাদটি শেয়ার করুন-
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  


আজ ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ রবিবার ৩:৪০ অপরাহ্ন রাজশাহী,বাংলাদেশ ।। ইংরেজীতে পড়ুন উত্তরবঙ্গ প্রতিদিন Bengali Bengali English English
© All rights reserved © 2016-2021 24x7upnews.com - Uttorbongo Protidin