admin
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, সোমবার, ১২:১৬ অপরাহ্ন
  • No Comments

    সৌদিতে সম্পন্ন হয়েছে ১৩৪ জনের শিরচ্ছেদ:উত্তরবঙ্গ প্রতিদিন

    আন্তর্জাতিক রিপোর্ট, উত্তরবঙ্গ প্রতিদিন :: মধ্যপ্রাচ্যের অতি-রক্ষণশীল দেশ সৌদি আরবে চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ১৩৪ জনকে শূলে চড়িয়ে এবং শিরশ্ছেদ করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। এদের মধ্যে ছয়জন রয়েছেন যাদের শিশু বয়সে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

    জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, সৌদি আরবে যেসব বন্দির শিরশ্ছেদ কিংবা শূলে চড়িয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে তাদের অধিকাংশ দেশটির যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের বিরোধী। তারা বিভিন্ন সময়ে সৌদি যুবরাজের সমালোচনা করেছেন। তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আগে নির্মম নির্যাতন চালানো হয়। পরে মধ্যযুগীয় কায়দায় সর্বোচ্চ সাজা কার্যকর করা হয়।

    সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে আনার অঙ্গীকার করলেও দেশটিতে সর্বোচ্চ সাজা কার্যকরের হার অত্যন্ত বিপজ্জনকভাবে বাড়ছে।

    জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরবে ১৩৪ জনের প্রাণদণ্ড মধ্যযুগীয় কায়দায় কার্যকর করা হয়েছে। আরো প্রায় ২৪ জন মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের তালিকায় রয়েছেন, শিগগিরই তাদের শিরশ্ছেদ করা হতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। এদের মধ্যে তিন শিশুসহ, যুবরাজের বিরোধী, ধর্মীয় পণ্ডিত ও মানবাধিকার কর্মী রয়েছেন।

    যাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে তাদের মধ্যে শিশু বয়সে গ্রেফতার হওয়া ছয়জন ছিলেন। ১৮ বছর বয়সের আগে সৌদি রাজপরিবার বিরোধী এক বিক্ষোভে অংশ নেয়ার দায়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছিল। এছাড়া চলতি বছরে তিন নারী ও ৫১ জন পুরুষের বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য চোরাচালানের অভিযোগ ছিল; যাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।

    সুন্নী সংখ্যাগরিষ্ঠ সৌদি আরবে শিয়া পণ্থা ছড়ানোর দায়ে আরো ৫৮ জন বিদেশি নাগরিককে এই সাজা ভোগ করতে হয়েছে। এদের মধ্যে পাকিস্তানের ২১, ইয়েমেনের ১৫, সিরিয়ার ৫, মিসরের চার, জর্ডানের দুই, নাইজেরিয়ার দুই, সোমালিয়ার এক নাগরিক ও অজ্ঞাত দুই ব্যক্তি রয়েছেন।

    দেশটিতে একদিনে সর্বোচ্চ ৩৭ জনের গণশিরশ্ছেদের মতো ভয়াবহ এক নৃশংসতা দেখা যায় চলতি বছরের ২২ এপ্রিল। এদের মধ্যে একজনকে শূলে চড়িয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়।

    সূত্র : দ্য সান।

    সংবাদটি শেয়ার করুন-
    •  
    •  
    •  
    •  
    •  
    •  
    •  
    •  
    •  
    •  
    •  
    •  

    আপনার গুরুত্বপূর্ন মতামত দিন