বিশেষ বিজ্ঞপ্তি :
সুপ্রিয় সন্মানিত পাঠক, আপনি কি উত্তরবঙ্গ প্রতিদিনের নিয়মিত পাঠক? আপনি কি এই পত্রিকায় লিখতে চান? কেন নয় ? সমসাময়িক যেকোনো বিষয়ে আপনিও ব্যক্ত করতে পারেন নিজের চিন্তা, অভিমত, পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ। স্বচ্ছ ও শুদ্ধ বাংলায় যেকোনো একটি সুনির্দিষ্ট বিষয়ে  লিখে পাঠিয়ে দিতে পারেন ইমেইলে কিংবা ফোন করেও জানাতে পারেন আপনাদের।  আমাদের যে কোন সংবাদ জানানোর ৩টি মাধ্যম।🟥১। মোবাইল: ০১৭৭৭৬০৬০৭৪ / ০১৭১৫৩০০২৬৫ 🟥২। ইমেইল: upn.editor@gmail.com🟥৩। ফেসবুক : facebook.com/Uttorbongoprotidin  
আজ ১১ মে ২০২১ মঙ্গলবার ৫:২৯ অপরাহ্ন রাজশাহী,বাংলাদেশ ।। ইংরেজীতে পড়ুন উত্তরবঙ্গ প্রতিদিন Bengali Bengali English English

স্টাফ রিপোর্র্টার,উত্তরবঙ্গ প্রতিদিন :: নাম আশরাফ বাবু। কর্ম ঠিকাদারি। ঠিকাদারির স্থান – পশ্চিমাঞ্চল ও পুর্বাঞ্চল রেলওয়ে। ২০০৪ সালে ঠিকাদারি পেশার সাথে যুক্ত হন । পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ড – আওয়ামী ঘরানার সন্তান। তাই এই পেশায় যখন আসেন তখন চলছিল বিএনপি-জামাতের শাসনামল । তাই কাজ কর্মে খুব একটা দক্ষতাও দেখাতে পারেননি । সেই সাথে তাকে লাইসেন্সও প্রদান করেনি রেল কর্তৃপক্ষ। কারন ছিল একটাই আওয়ামীলীগ । ততকালীন সময়ে ১৯ নং ওয়ার্ড থেকে আওয়ামী লীগের মিছিল কিংবা পথ সভা হওয়াটা ছিল অনেকটা দুঃস্বপ্নের মতই। দলের অসময়ে দলের পাশে থেকে হামলা – মামলা উপেক্ষা করে সাপোর্ট দিয়ে গেছেন আওয়ামীলীগকে।

অনুসন্ধানে আরো জানা যায় – তার দাদা ছিলেন শেখ আহাম্মদ হোসেন। রাজশাহী জেলা পবা থানা আওয়ামীলীগ এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন তিনি। বঙ্গবন্ধুর সাথেও রাজনীতি করেছেন। সেই সাথে আশরাফ বাবুর বাবা রাজশাহীর মহানগর আওয়ামিলীগ এর কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন এবং রাজশাহী ১৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামিলীগ এর সভাপতি ছিলেন।

আশরাফ বাবুর বড়ো ভাই শেখ এজাজ হোসেন উজির রাজশাহী মহানগর ছাত্র লীগের নেতা ছিলেন বর্তমানে মহানগর কৃষকলীগের সহ সভাপতি। আর আশরাফ বাবু ১৯ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারন সম্পাদক ছিলেন তারপরে রাজশাহী মহানগর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হন।

এরই মধ্যে কেটে গেছে ২০টি বসন্ত। নিজের যোগ্যতা প্রমান করতে করতে আজ ১ম শ্রেনীর ঠিকাদার হয়েছেন আশরাফ বাবু। তার এই কর্মে মানউন্নয়ন কে কলঙ্কিত করতে অপপ্রচারে লিপ্ত হচ্ছেন গুটিকয়েক ব্যাক্তি। অবশ্য তারা যে শুধু তাকে কলঙ্কিত করেই ক্ষান্ত হচ্ছেন তা কিন্তু নয় বরং তারা অনেকেই বলতে চেয়েছেন আশরাফ বাবু নাকি জিরো থেকে হীরো হয়েছেন মাত্র ৫ বছরে। আর সেই সাথে তিনি নাকি জামাত-বিএনপি ঘরানার সন্তান । অবশ্য লোকমুখে প্রচলন আছে ১৯ নং ওয়ার্ডে যদি কোন আওয়ামী পরিবার থাকে তবে তাতে আশরাফ বাবুর পরিবারের নাম আসবেই কেননা তার বাবা,তার দাদা এবং তার পর দাদাও নাকি মুসলিমলীগ করে গেছেন ।

এ বিষয়ে আশরাফ বাবুর সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি জানান – আপনারা সাংবাদিক আর আপনারাই হচ্ছেন এই জাতির আদর্শ বিবেক । তাই গর্ব করে বলতে চাই আমি আওয়ামী পরিবারের সন্তান।আওয়ামীলীগ করি এবং ভবিষ্যতেও করব ইনশাল্লাহ। আর যারা আমাকে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করছেন তারা হয় নব্য আওয়ামীলীগ কিংবা হাইব্রিড আওয়ামীলীগ ছাড়া অন্য কেউ নয়। আমার জীবন বৃত্তান্ত ১৯ নং ওয়ার্ডসহ সকল রাজশাহীবাসীর অজানা নয় । তাই যে কোন অপপ্রচার থেকে দয়া করে বিরত থাকার অনুরোধ জানাচ্ছি।

লাইভে যা বললেন মুক্তিযোদ্ধার এই সন্তান-

http://web.facebook.com/100026675498161/videos/405625553669958/

সংবাদটি শেয়ার করুন-
  • 1.3K
  • 321
  • 980
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    2.6K
    Shares


আজ ১০ অক্টোবর ২০১৯ বৃহস্পতিবার ৬:৫২ অপরাহ্ন রাজশাহী,বাংলাদেশ ।। ইংরেজীতে পড়ুন উত্তরবঙ্গ প্রতিদিন Bengali Bengali English English
© All rights reserved © 2016-2021 24x7upnews.com - Uttorbongo Protidin