বিশেষ বিজ্ঞপ্তি :
সুপ্রিয় সন্মানিত পাঠক, আপনি কি উত্তরবঙ্গ প্রতিদিনের নিয়মিত পাঠক? আপনি কি এই পত্রিকায় লিখতে চান? কেন নয় ? সমসাময়িক যেকোনো বিষয়ে আপনিও ব্যক্ত করতে পারেন নিজের চিন্তা, অভিমত, পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ। স্বচ্ছ ও শুদ্ধ বাংলায় যেকোনো একটি সুনির্দিষ্ট বিষয়ে  লিখে পাঠিয়ে দিতে পারেন ইমেইলে কিংবা ফোন করেও জানাতে পারেন আপনাদের।  আমাদের যে কোন সংবাদ জানানোর ৩টি মাধ্যম।🟥১। মোবাইল: ০১৭৭৭৬০৬০৭৪ / ০১৭১৫৩০০২৬৫ 🟥২। ইমেইল: upn.editor@gmail.com🟥৩। ফেসবুক : facebook.com/Uttorbongoprotidin  
আজ ১১ মে ২০২১ মঙ্গলবার ৫:২৯ অপরাহ্ন রাজশাহী,বাংলাদেশ ।। ইংরেজীতে পড়ুন উত্তরবঙ্গ প্রতিদিন Bengali Bengali English English

স্টাফ রিপোর্টার,উত্তরবঙ্গ প্রতিদিন ::  বাংলাদেশের রাজশাহী সীমান্তে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) নিজেদের সীমান্তে পদ্মা নদীর তিন সীমান্তে খেয়া পারাপার বন্ধ করে দিয়েছে। গত শনিবার থেকে বিএসএফ তা বন্ধের নির্দেশ দেয়। তিনটি সীমান্ত হলো রাজশাহীর পবা উপজেলার চর খিদিরপুর, চর তারানগর ও চর মাঝারদিয়াড়।

রাজশাহী শহর থেকে ওই তিন চরে নৌকায় যেতে প্রায় ১০ মিনিট ধরে ভারতীয় সীমান্ত দিয়ে যেতে হয়। আর পথে গেলে সময় সাশ্রয় হয়। এ পানিপথ বন্ধ থাকায় মানুষ ওই তিন চরে যাতায়াত করছে তপ্ত বালুর পথ দিয়ে। ভোগান্তি নিয়ে চলতে হচ্ছে তাদের।

২০১৯ সালের অক্টোবর মাসে চারঘাট সীমান্তে বড়াল নদের মোহনায় দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এরপর থেকে সীমান্তে নজরদারি বাড়িয়েছে বিএসএফ। এরপরই গত শনিবার ভারতের সীমান্ত দিয়ে যাওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়।

তিন দিকে ভারত আর এক দিকে বাংলাদেশ হওয়া এবং চরে কোনো হাটবাজার না থাকার কারণে সাধারণ মানুষ রাজশাহী শহরের ওপর নির্ভরশীল। আর পানিপথের যাতায়াত বন্ধ হয়ে গেলে চরাঞ্চলের মানুষের কষ্ট ও দুর্ভোগের সীমা থাকে না।

গতকাল রোববার চর খিদিরপুর সীমান্তে গিয়ে দেখা যায়, খিদিরপুর খেয়াঘাট থেকে পার হয়ে বাংলাদেশ সীমান্তে এসে প্রায় ৩০ মিনিট হেঁটে আবার বাংলাদেশ সীমান্তে তাদের রাখা নৌকায় করে মানুষ শহরে আসছে। ৩০ মিনিটের এই উন্মুক্ত পথ অনেকটাই মরুভূমির মতো। এতে বৃদ্ধ-শিশু ও রোগীদের জন্য অনেক কষ্ট হচ্ছে। যাতায়াতের সময় ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে চরের মানুষদের।

চর তারানগরে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং প্রথম আলো ট্রাস্টের পরিচালনায় একটি মাধ্যমিক স্কুল রয়েছে। সেখানকার শিক্ষকেরা প্রতিদিন পদ্মা নদী পার হয়ে নিয়মিত পাঠদান করতে ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যান।

আলোর পাঠশালার প্রধান শিক্ষক রোজিনা খাতুন বলেন, তাঁরা সচরাচর বাড়ি থেকে বের হয়ে স্কুল অবধি আসতে প্রায় ৪০ মিনিটের পথ হাঁটেন। সীমান্তে বাংলাদেশি খেয়া পারাপারের অনুমতি না থাকার কারণে ১ ঘণ্টা ১০ মিনিট পথ পায়ে হেঁটে স্কুলে পৌঁছাতে হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন-
  • 0
  • 0
  • 0
  • 0
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  


আজ ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২০ মঙ্গলবার ১২:২৩ পূর্বাহ্ন রাজশাহী,বাংলাদেশ ।। ইংরেজীতে পড়ুন উত্তরবঙ্গ প্রতিদিন Bengali Bengali English English
© All rights reserved © 2016-2021 24x7upnews.com - Uttorbongo Protidin