বিশেষ বিজ্ঞপ্তি :
সুপ্রিয় সন্মানিত পাঠক, আপনি কি উত্তরবঙ্গ প্রতিদিনের নিয়মিত পাঠক? আপনি কি এই পত্রিকায় লিখতে চান? কেন নয় ? সমসাময়িক যেকোনো বিষয়ে আপনিও ব্যক্ত করতে পারেন নিজের চিন্তা, অভিমত, পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ। স্বচ্ছ ও শুদ্ধ বাংলায় যেকোনো একটি সুনির্দিষ্ট বিষয়ে  লিখে পাঠিয়ে দিতে পারেন ইমেইলে কিংবা ফোন করেও জানাতে পারেন আপনাদের।  আমাদের যে কোন সংবাদ জানানোর ৩টি মাধ্যম।🟥১। মোবাইল: ০১৭৭৭৬০৬০৭৪ / ০১৭১৫৩০০২৬৫ 🟥২। ইমেইল: upn.editor@gmail.com🟥৩। ফেসবুক : facebook.com/Uttorbongoprotidin  
আজ ১১ মে ২০২১ মঙ্গলবার ৫:২৯ অপরাহ্ন রাজশাহী,বাংলাদেশ ।। ইংরেজীতে পড়ুন উত্তরবঙ্গ প্রতিদিন Bengali Bengali English English

আন্তর্জাতিক রিপোর্ট :: এক দিকে ভারত এবং চিন সংঘাত। অন্যদিকে নেপালের আগ্রাসী মনোভাব। কূটনৈতিকমহলের মতে, নেপালের এহেন আচরণের পিছনে রয়েছে কমিউনিস্ট চিন। গত কয়েকদিন আগে নয়া মানচিত্র সামনে এনেছে। যেখানে ভারতের তিন জায়গাকে নিজেদের বলে দাবি করেছে। ভারতের লিপুলেখ, কালাপানি এবং লিম্পিয়াধুরাকে নিজেদের বলে দাবি করে নেপাল।

নেপালের সংসদেও পাস হয় সেই সংক্রান্ত প্রস্তাব। কূটনৈতিকমহলের মতে, এই কাজে চিন ব্যবহার করছে নেপালে নিযুক্ত সেদেশের রাষ্ট্রদূত হউ ইয়ানচিকে।

সূত্রের খবর, নেপালের প্রকাশিত মানচিত্র বিলটি সংসদে পাঠানোর পিছনেও সক্রিয় ছিলেন চিনের রাষ্ট্রদূত ইয়ানকি। কিন্তু, ভিন দেশের এক রাষ্ট্রদূত হঠাৎ নেপালে এত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠলেন কীভাবে? অনেকে বলছেন, গত কয়েকদিন আগে প্রকাশ্যে আসা একটি ভিডিও। প্রকাশ্যে আসা ভিডিওতে দেখা গিয়েছে এক অনুষ্ঠানে নেপালের গয়না এবং লেহেঙ্গা চোলি পরে, লোকসঙ্গীতের তালে নাচতে দেখা যায় চিনের রাষ্ট্রদূত ইয়ানকিকে। তাঁর নাচে মুগ্ধ হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলিও।

এতটাই তাঁর উপর মুগ্ধ হয়ে পড়েন যে ধীরে ধীরে ইয়ানচিক ওলির ঘনিষ্ঠমহলে ঢুকে পড়ে। বিভিন্ন বিষয়ে নেপালের প্রধানমন্ত্রীর পাশে থেকেছেন। ওলির কাছে নিজের গ্রহণযোগ্যতা বাড়িয়েছেন। বিশ্বাস অর্জন করেছেন। তাঁর উপর নেপালের প্রধানমন্ত্রীর গ্রহণযোগ্যতা অনেকটাই বেড়ে যায়।

প্রকাশিত এক সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, নেপালের সাংবিধানিক সঙ্কট তৈরি হয়। আর সেই সময় আসরে নেমে পড়েন হউ ইয়ানচিক তাঁর বুদ্ধিতেই নাকি সমস্যার সমাধান হয়। ফলে নেপালের একেবারে ঘরের মানুষ হয়ে যায় সে। অনেকে বলেন, চিনের রাষ্ট্রদূত হতে পারেন হউ ইয়ানচিক। কিন্তু চিনা সেনা কর্তা থেকে সে-দেশের প্রধানমন্ত্রী, সবার দফতরেই অবাধ যাতায়াত তাঁর। নেপালের সর্বত্র তাঁর অবাধ বিচরণ।

নেপালের প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবী ভাণ্ডারী তাঁকে বিশেষ নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানান। এখানেই শেষ নয়, নেপালের পর্যটনমন্ত্রী আবার তাঁর জন্য বিশেষ আউটডোর ফটোশুটেরও বন্দোবস্ত করে দেন। সব মিলিয়ে নেপালে তাঁর বিশাল ক্ষমতা। আর সেই ক্ষমতার বলে ক্রমশ নেপালকে ভারত বিরোধী করে তুলছে।

অনেকেই বলছেন, তাঁর অঙ্গুলিহেলনেই সমস্ত কিছু হচ্ছে। মানচিত্র সংশোধন থেকে ভারতীয় সীমান্তে সেনা ছাউনি তৈরি করা সবকিছুর পিছনে নাকি তিনিই আছেন। নেপালের সেনাপ্রধানের সঙ্গেও তাঁর ভয়ঙ্কর ভাব।

আর তাই নেপালের বেশির ভাগ গ্রামেই চিনের বাহিনী ঢুকে পড়লেও চুপ করে আছেন কাঠমাডু। করোনা সঙ্কটের শুরুতেই ইয়ানকি চিন ও নেপালের রাষ্ট্রপ্রধানদের মধ্যে যোগাযোগ করিয়ে দেন। কথা দেন, করোনা কালে নেপালকে সবরকম সাহায্য করবে চিন।

সংবাদটি শেয়ার করুন-
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  


আজ ২৫ জুলাই ২০২০ শনিবার ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন রাজশাহী,বাংলাদেশ ।। ইংরেজীতে পড়ুন উত্তরবঙ্গ প্রতিদিন Bengali Bengali English English
© All rights reserved © 2016-2021 24x7upnews.com - Uttorbongo Protidin