নুরুল-মামুনদের বিরুদ্ধে করা ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তারের দাবিতে অনশনে ঢাবি ছাত্রী

Read Time:3 Minute

স্টাফ রিপোর্টার উত্তরবঙ্গ প্রতিদিন ::
ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক ও ছাত্র অধিকার পরিষদের সাময়িক অব্যাহতি পাওয়া আহ্বায়ক হাসান আল মামুনসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তারের দাবিতে এবার আমরণ অনশনে বসেছেন সেই ছাত্রী। ধর্ষণ ও ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগে করা মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার দাবি জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে আটটা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে ওই অনশন শুরু করেছেন মামলার বাদী ওই ছাত্রী। তাঁর সঙ্গে সংহতি জানিয়ে সেখানে অবস্থান নিয়েছেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সংস্কৃতিবিষয়ক উপসম্পাদক তিলোত্তমা শিকদারসহ ২১ ছাত্রী।

<অনশনে বসা ধর্ষণের অভিযোগকারী ছাত্রী সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘আমি মামলা করার পর সিলেটের এমসি কলেজ, সাভারসহ বেশ কিছু মামলায় আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে। আমার মামলার ১৭ দিন পেরিয়েছে, তবু আসামিরা গ্রেপ্তার হয়নি। এ ব্যাপারে পুলিশ-প্রশাসন যথেষ্ট প্রভাবিত, আসামিরাও প্রভাবশালী। তা না হলে তো আসামি গ্রেপ্তার হওয়ার কথা। কোনো এক অজ্ঞাত কারণে কিংবা কোনো এক অদৃশ্য শক্তির জন্য আসামিদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না। যতক্ষণ পর্যন্ত আসামিরা গ্রেপ্তার না হবে, ততক্ষণ আমার কর্মসূচি চলবে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই ছাত্রী আরও বলেন, ‘মামলা দায়েরের পর আমি একাধিকবার লালবাগ ও কোতোয়ালি থানায় যোগাযোগ করেছি। তদন্ত কর্মকর্তা আমাকে জানিয়েছেন, আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে; তাঁরা নেটওয়ার্ক বিছিয়ে দিয়েছেন, কিন্তু আসামিরা প্রযুক্তিতে খুব দক্ষ বলে ধরা যাচ্ছে না। এরপর পর পর দুই দিন আমি আদালতে আবেদন করেছি।

আদালত বলেছেন, এটি জামিন অযোগ্য অপরাধ, তাই গ্রেপ্তারের নির্দেশনার কোনো প্রয়োজন নেই, পুলিশ চাইলে যেকোনো সময় তাদের গ্রেপ্তার করতে পারে। লালবাগ থানার তদন্ত প্রতিবেদন ৭ অক্টোবর দেওয়ার কথা ছিল। সেটি আদালত থেকে পরে ২৭ অক্টোবর করা হয়।’

গত ২০ ও ২১ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ছাত্রী রাজধানীর লালবাগ ও কোতোয়ালি থানায় হাসান আল মামুন ও নুরুল হকসহ ছয়জনকে আসামি করে পৃথক দুটি মামলা করেন।

প্রথম মামলায় এক নম্বর আসামি হাসান আল মামুন আর দ্বিতীয় মামলায় এক নম্বর আসামি পরিষদের সাবেক নেতা নাজমুল হাসান। সাইবার বুলিংয়ের অভিযোগে সেই ছাত্রী শাহবাগ থানায় নুরুলের কয়েকজন সমর্থকের বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা করেছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন-
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।