বিশেষ বিজ্ঞপ্তি :
সুপ্রিয় সন্মানিত পাঠক, আপনি কি উত্তরবঙ্গ প্রতিদিনের নিয়মিত পাঠক? আপনি কি এই পত্রিকায় লিখতে চান? কেন নয় ? সমসাময়িক যেকোনো বিষয়ে আপনিও ব্যক্ত করতে পারেন নিজের চিন্তা, অভিমত, পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ। স্বচ্ছ ও শুদ্ধ বাংলায় যেকোনো একটি সুনির্দিষ্ট বিষয়ে  লিখে পাঠিয়ে দিতে পারেন ইমেইলে কিংবা ফোন করেও জানাতে পারেন আপনাদের।  আমাদের যে কোন সংবাদ জানানোর ৩টি মাধ্যম।🟥১। মোবাইল: ০১৭৭৭৬০৬০৭৪ / ০১৭১৫৩০০২৬৫ 🟥২। ইমেইল: upn.editor@gmail.com🟥৩। ফেসবুক : facebook.com/Uttorbongoprotidin  
আজ ১৩ মে ২০২১ বৃহস্পতিবার ৭:২৫ অপরাহ্ন রাজশাহী,বাংলাদেশ ।। ইংরেজীতে পড়ুন উত্তরবঙ্গ প্রতিদিন Bengali Bengali English English

নিজস্ব সংবাদদাতা, উত্তরবঙ্গ প্রতিদিন :: সামাজিক হেনস্তার ভয় কাটিয়ে ধর্ষণের বিচারের চাইতে দাঁড়ালেও পদে পদে বাধার মুখে পড়তে হয় নারীদের।এক্ষেত্রে দৃষ্টিভঙ্গীর পাশাপাশি প্রভাবশালীদের চাপ, আইনের ফাঁক, মামলার দীর্ঘসূত্রতাকে বড় কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মীরা। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন অনুযায়ী ধর্ষণের মামলার বিচার ১৮০ দিনের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও প্রায় ক্ষেত্রে তা হয় না।

সাক্ষী না পাওয়া, শারীরিক আলামত অনেক সময় না পাওয়া অভিযুক্তকে বাঁচিয়ে দেয় বলে আইনজীবীরা বলছেন। প্রচলিত সাক্ষ্য আইনের ১৫৫ (৪) ধারায় ধর্ষিত নারীকে দুশ্চরিত্র প্রমাণ করার সুযোগ থাকায় এটাকেও ন্যায়বিচারের ক্ষেত্রে অন্তরায় হিসেবে দেখছেন অধিকারকর্মীরা।

করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে সিলেট ও নোয়াখালীর দুটি ধর্ষণের ঘটনা দেশজুড়ে ক্ষোভ তৈরি করেছে। ধর্ষণের বিচার দাবিতে আন্দোলনও চলছে। আন্দোলনের মুখে সরকার ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তির মাত্রা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড থেকে মৃত্যুদণ্ড করেছে। তবে সুষ্ঠু ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার উপরই বেশি জোর দিচ্ছেন আইনজ্ঞরা।

দেশে ধর্ষন মামলার সংখ্যা কত ?
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, নারী ও শিশু নির্যাতনের ১ লাখ ৬০ হাজার ৭৫১টি মামলা নিয়ে ২০১৯ সালের যাত্রা শুরু হয়। বছর শেষে এ অপরাধের মামলার সংখ্যা দাঁড়ায় ২ লাখ ২৪ হাজার ৯৫১টিতে। এর মধ্যে নিষ্পত্তি হয় ৫৪ হাজার ৬১৮টি মামলা। আর নারী-শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল থেকে মামলা স্থানান্তর হয় আরও ১৯৪০টি।

বছর শেষে দেশের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা দাঁড়ায় ১ লাখ ৬৮ হাজার ৩৯৩টি। সুপ্রিম কোর্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে নারী ও শিশু নির্যাতনের বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ৩১ হাজার ৫৩৯টি। আর উচ্চ বা সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশে স্থগিত মামলার সংখ্যা ছিল ১ হাজার ১৭৫টি।

মামলার পরিসংখ্যান নিয়ে খোঁজ নিতে গিয়ে জানা গেছে, বাংলাদেশে মেট্রোপলিটন এলাকায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে যে বিচারগুলো হয়, সেখানে মাত্র ২ দশমিক ৬ শতাংশ মামলায় চূড়ান্ত রায় হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন-
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  


আজ ২১ অক্টোবর ২০২০ বুধবার ৭:১৮ অপরাহ্ন রাজশাহী,বাংলাদেশ ।। ইংরেজীতে পড়ুন উত্তরবঙ্গ প্রতিদিন Bengali Bengali English English
© All rights reserved © 2016-2021 24x7upnews.com - Uttorbongo Protidin