বিজ্ঞপ্তি :
আপনি কি নির্যাতিত ?  আপনি কি সুবিধা বঞ্চিত ? আপনি কি সমাজের কোন অসঙ্গতির শিকার ? তাহলে জানাতে পারেন আমাদের ,আমরা প্রকাশ করব সেই সংবাদ। আমাদের সংবাদ পাঠানোর ইমেইল - upn.editor@gmail.com মোবাইল - ০১৭১৫৩০০২৬৫, ০১৭৭৭৬০৬০৭৪ ফেসবুক - fb.com/Uttorbongoprotidin
রাজশাহী বিভাগীয় বন বিভাগের প্রায় ৪০ লক্ষ টাকার দূর্নীতির অভিযোগ

রাজশাহী বিভাগীয় বন বিভাগের প্রায় ৪০ লক্ষ টাকার দূর্নীতির অভিযোগ

রাজশাহী বিভাগীয় বন বিভাগের প্রায় ৪০ লক্ষ টাকার দূর্নীতির অভিযোগরমজান আলী,উত্তরবঙ্গ প্রতিদিন ::  রাজশাহী বিভাগীয় সামাজিক বন বিভাগ অফিস এখন নানান অনিয়ম আর দূর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী ঠিকাদাররা এই অভিযোগ করেছেন।

ঘটনাসূত্রে জানা যায়, গত অক্টোবর মাসের ১৩ তারিখে হওয়া টেন্ডারের শর্ত ভঙ্গের কারণ দেখিয়ে প্রায় ২০০ লটের মত উচ্চ দরদাতাকে কাজ না দিয়ে ২য় ও ৩য় দরদাতাকে কমিশনের ভিত্তিতে কাজ দিয়েছেন কর্তৃপক্ষ ।

জানা যায়, প্রায় ৫৫০ লটের কাজের টেন্ডার করে রাজশাহীর বিভাগীয় সামাজিক বন অফিস। এতে প্রায় ২০০ লটের কাজ নামে মাত্র শর্ত ভঙ্গের কারণ দেখিয়ে ২য় ও ৩য় দরদাতাকে কমিশনে কাজ দিয়েছেন টেন্ডার বাছাই কমিটি।

এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন উচ্চ দরদাতা ঠিকাদারসহ সংশ্লিষ্টরা। এতে সরকারও হারিয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকার রাজস্ব।

নিলামের তালিকা তৈরীর সময় গাছ ব্যবসায়ী, কতিপয় জনপ্রতিনিধি ও ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের সাথে আঁতাত করে শুভঙ্করের ফাঁকি রাখা হয়েছে। আবার গাছ কর্তন করার সময় লট প্রতি ২০-২৫ হাজার টাকা করে ঘুষ নিচ্ছে বন কর্মকর্তা ও বন প্রহরীরা।

ভুক্তভোগি ঠিকাদাররা জানান, একটি লটের সর্বোচ্চ উচ্চ দরদাতা ৭৫ হাজার টাকায় কাজ পেয়ে নামে মাত্র ভুল ধরে সেই কাজ তৃতীয় দরদাতাকে ৫২ হাজার টাকায় দেওয়া হয়। এভাবেই প্রায় ২০০ লটের প্রায় ২ কোটি বা তার অধিক টাকার কাজে করা হয়েছে অনিয়ম।

২০০ লটের কাজে প্রায় ২০ লক্ষ টাকা ঘুষ নেওয়া হয়েছে, যা বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) আহম্মদ নিয়ামুর রহমান থেকে শুরু করে কমিশন ভিত্তিতে দপ্তরটির সকল কর্মকর্তা কর্মচারী ভাগবাটোয়া করে নিয়েছে বলে অভিযোগ ঐ সকল ঠিকাদারবৃন্দ। প্রতিটি লটে গড়ে ২০ হাজার টাকা করে নেওয়া হলেও ২০০ লটে ৪০ লক্ষ টাকা হয়। এখানে বিশাল অংকের ক্ষতির সমুখিন হচ্ছে ভূমিহীন সুবিধাভোগীরা। যদিও ৫৫% পাওয়ার কথা এই ভুমিহীন সুবিধাভোগীরা। কিন্তু উচ্চ দরদাতাকে কাজ না দেওয়ায় প্রতিটি কাজে কমেছে প্রায় ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা। এতে চরমভাবে হতাশগ্রস্ত সুবিধাভোগীরা।

নাম প্রকাশ না করা শর্তে এক ঠিকাদার বলেন, ফরেস্টার আমজাদ হোসেনসহ বেশ কিছু কর্মকর্তা কর্মচারী এই অনিয়ম আর দূর্নীতির সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত। ডিএফও নিজে কোন টাকা হাতে না নিলেও ফরেস্টার আমজাদসহ অন্যান্যরা নিজ হাতে টাকা নেন।

এ বিষয় কথা বলতে সরাসরি বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আহম্মদ নিয়ামুর রহমানের সঙ্গে দেখা করে জানতে চাইলে ঐ কর্মকর্তা  নিজেকেসহ অফিসের সকলেই সৎ এবং নিয়ম মাফিক কাজ হয়েছে বলে দাবি করেন। শর্ত ভঙ্গের কারণে কতটি কাজ ২য় ও ৩য় দরদাতাকে দেওয়া হয়েছে জানতে চাইলে তিনি তথ্য দিতে অস্বীকার করেন।

এ সময় তিনি সাংবাদিকদের হুমকি দিয়ে বলেন, আমি ও আমার অফিস নিয়ম অনুযায়ী কাজ করে, পারলে সংবাদ প্রকাশ করেন আমি পারলে দেখে নিবো। তথ্য নিতে হলে নিয়ম অনুযায়ী আবেদন করে এখান থেকে তথ্য নিতে হবে বলেও উল্লেখ্য করেন তিনি।

সাংবাদিকরা বিভাগীয় বন কর্মকর্তার অফিস থেকে বের হলেই সেখানে বাবুল নামের এক ব্যক্তি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে   বলেন –  আপনারা এখানে কি করছেন আর কেনইবা এখানে আসছেন আমাকে চিনেন। এ সময় সাংবাদিকরা বাবুল নামের ঐ ব্যাক্তির সাথে তর্কে না জড়িয়ে অফিস ত্যাগ করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন-
  • 2K
  • 1.9K
  • 1.7K
  • 1.6K
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    7.2K
    Shares


ইনভেষ্টিগেশান নিউজ

বিশ্বে করোনা ভাইরাস 🚑️

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
৫৩২,২৭২
সুস্থ
৪৭৬,৯২৭
মৃত্যু
৮,০৪৩
সূত্র: আইইডিসিআর

বিশ্বে

আক্রান্ত
৯৮,৪২৬,৩৭২
সুস্থ
৫৪,০৬০,৩৯৮
মৃত্যু
২,১১০,৫১৫

ইমেইল এড্রেস লিখুন

24x7upnews.com © All rights reserved © 2016-2021