রাজশাহীর মতিহার থানা এলাকার কে এই প্রতারক রাজু? মহানগর সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টার।। উত্তরবঙ্গ প্রতিদিন :: রাজশাহীর মতিহার থানার নতুন বুধপাড়ার সিরাজুল ইসলামের ছেলে রফিকুল ইসলাম রাজু।

রাজশাহীর একাধিক আবাসিক হোটেলে নারী দেওয়া নেওয়া ছিল তার মুল কাজ। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর লিলন হত্যার দায়ে ফাঁসির দন্ড প্রাপ্ত আসামি কাটাখালি থানার মানিকের অন্যতম সংগী হয়ে কাজ করতেন এই রফিকুল ইসলাম ওরফে রাজু।

রাজশাহী কাটাখালি থানার সীমান্তবর্তী এলাকা সাহাপুরের একজন সাবেক ইউপি সদস্য বলেন – এই অঞ্চলে রাজুর অপকর্মের শিকার অনেক পরিবার রয়েছে। যারা এখন প্রকাশ্যে বলতে রাজি আছেন রাজুর অপকর্মের ঘটনা। বুধপাড়া রাজুর বাড়ি হলেও রাজশাহী নগরীর উপ কন্ঠ বিনোদপুর কাটাখালি সহ চিহ্নিত মাদকের এলাকা গুলোতে ছিল এই রাজুর রাজত্ব। রাজুর সংগী মানিকের ফাঁসির আদেশ হয়ার পরেই রাজু নিজের রুট পরিবর্তন করে নেয়।

সুচতুর রাজু নিজেকে নিরাপদ রাখতে আবাসিক হোটেলকে বেছে নেয় নিজের কর্মস্থল হিসেবে। রাজশাহীর বিলাস বহুল হোটেল নাইস সহ একাধিক হোটেল ছিল তার অপকর্মের ঢাল।আবাসিক হোটেলের পাশা পাশি দেশ বিদেশের কোটিপতি ব্যক্তিরা হয়ে উঠে রাজুর মুল টার্গেট।এক সময় ভাড়াটিয়া নারীদের পাশা পাশি নিজের স্ত্রীকেও ব্যবহার করতে শুরু করেএই ভয়ংকর রাজু।কুমিল্লার সৌদি প্রবাসি হাবিব নামের ব্যক্তির ভাগ্যে জুটে এই রাজু যুগলের প্রতারণা।

ভিডিও কলে অসামাজিক কথা ও নিজের অসামাজিক ছবি দেখিয়ে হাতিয়ে নেয় ৯ লক্ষ টাকা।যাহার প্রমান ভিডিও কল রেকর্ড পাওয়া গেছে। এই রাজুর কর্মকাণ্ড তার স্ত্রী লেলিয়ে দেয়ার ঘটনা নিয়ে কুমিল্লার ইউপি চেয়ারম্যান মেম্বার রাজুর নাম্বার দেখিয়ে মুঠো ফোনে বলেন এই নাম্বার সেই প্রতারক নারীর ভাই পরিচয়দান কারি ব্যক্তির। অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে সেই নাম্বার এই ভয়ংকর প্রতারক রাজুর। রাজু বিভিন্ন সময় নিজের পরিচয় গোপন করে প্রতারণার নতুন জাল বিছিয়ে হাতিয়ে নেয় অর্থ।

কিছুদিন ধরে রাজুর স্ত্রী রাজুকে এমন অপকর্ম থেকে ফিরেআসার জন্য রাজুকে অনুরোধ করেত থাকে। কিন্তু রাজু তার স্ত্রীর কথায় কোন কর্ণপাত নাকরে ঠিক একই ভাবে করতে থাকে তার যত কুকীর্তি । গত এপ্রিল মাসে রাজুর স্ত্রী তার বাবার বাড়ি চৌদ্দপায় চলে যায়। কিন্তু সেখানেও রাজু তার গুন্ডা বাহিনী দিয়ে বিভিন্ন ভাবে চাপ সৃস্টি করতে থাকে। একটি পর্যায়ে সে নিজেই নাটকীয় ভাবে আহত হয়ার ঘটনা ঘটিয়ে থানায় মামলা করার চেস্টা করেন।

থানা পুলিশ সেই নাটকীয় ঘটনার কোন মামলা না নিলে দীর্ঘ একমাস পর চলতি মাসের ১১ তারিখে মতিহার থানায় ৬ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। জানতে চাইলে মতিহার থানার মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা উপ পরিদর্শক সুকান্ত বলেন আমাদের ও এই মামলা নিয়ে সন্দেও রয়েছে তাই পুরো বিষয়টি তদন্ত চলছে। তবে রাজুর বিষয়ে একাধিক অভিযোগ রয়েছে বলেও জানান তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন-
  • 189
  • 116
  • 108
  • 168
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    581
    Shares

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।